গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৩ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পদসংখ্যা ১৭৭। …
Search
--:--:--
--
--
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৩ থেকে ২০ গ্রেডে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। মোট পদসংখ্যা ১৭৭। …
ভারতের বিরোধীদল ও শিক্ষার্থীদের চলমান বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ বন্ধ করার জন্য দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে দুই ডজনেরও বেশি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের আচরণের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ ও অহিংস উপায়ে চলা এসব বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিচার্জের ফলে বেশ কিছু বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। এছাড়া আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং বিশেষ করে যৌথ সহিংসতা ও লিঙ্গভিত্তিক নিপীড়নের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।জতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ নির্দিষ্ট মানবাধিকার সংকট পর্যবেক্ষণ ও নথিভুক্ত করার জন্য এসব স্বাধীন বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ দিয়ে থাকে।বিক্ষোভের সূত্রপাত যেভাবেপ্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এ মাসে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিয়েছে ভারতের ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)সহ অন্যান্য বিরোধীদল ও ছাত্রসংগঠনগুলো। ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ করা হয়।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নাম দেওয়ার এই প্রক্রিয়ায় গরীব, গৃহহীন এবং মুসলিমদের মতো জাতিগত সংঘ্যালঘুরা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যাদের ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপির ভোটার হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।তবে এই অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে বিজেপি ও ভারতের নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কেবল দ্বৈত, মৃত, স্থানান্তরিত এবং নিয়মানুযায়ী অযোগ্য ভোটারদেরই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তালিকায় ভুলবশত বাদ পড়া ব্যক্তিদের জন্য আপিলের সুযোগ রয়েছে বলেও জানানো হয়।জাতিসংঘের উদ্বেগজাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা তাদের বিবৃতিতে বলেন, “সমাবেশগুলো সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জের মতো বলপ্রয়োগ করেছে এবং হাজার হাজার মানুষকে বিক্ষোভে যোগদানে বাধা দিয়েছে।”তারা আরো বলেন, “আমরা কর্তৃপক্ষের প্রতি অবিলম্বে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ বন্ধ করা, সাধারণ সমাবশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা এবং ইন্টারনেট বিঘ্নিত করাসহ ডিজিটাল নজরদারির …
বিভিন্ন ধরনের ভেষজ মসলায় আছে বিভিন্ন গুণাগুণ। এর মধ্যে অন্যতম হলো জিরা। সকালে খালি পেটে জিরা ভেজানো পানি পান করা একটি জনপ্রিয় অভ্যাস হয়ে উঠেছে। সহজলভ্য এই ঘরোয়া পানীয়টি শরীরকে সুস্থ রাখতে নানা উপকারে আসে। নিয়মিত জিরা ভেজানো পানি খেলে শরীরের ভেতর থেকে ইতিবাচক পরিবর্তন শুরু হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক সকালে খালি পেটে জিরা ভেজানো পানি পানের উপকারিতা- হজমশক্তি বাড়াতে সহায়ক জিরা পানি হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে সাহায্য করতে পারে। সকালে খালি পেটে এটি পান করলে পাকস্থলীতে হজমে সহায়ক রস নিঃসরণ বাড়তে পারে, ফলে খাবার সহজে হজম হয়। গ্যাস ও পেট ফাঁপা কমায় অনেকেই গ্যাস, অম্বল বা পেট ফাঁপার সমস্যায় ভোগেন। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে জিরা পানি পান করলে এসব সমস্যা কিছুটা কমতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক জিরা পানি শরীরের বিপাকক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করতে পারে। এর ফলে ক্যালরি পোড়ানোর প্রক্রিয়া কিছুটা সক্রিয় হয়, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হতে পারে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় জিরায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান। এসব উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে ভূমিকা রাখতে পারে। শরীরকে সতেজ রাখতে সহায্য করে দিনের শুরুতে এক গ্লাস জিরা পানি শরীরকে চাঙা ও সতেজ অনুভব করতে সাহায্য করতে পারে। এটি সারাদিনের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। পানিশূন্যতা দূর করতে পারে সারা রাত ঘুমের পর শরীরে পানির ঘাটতি তৈরি হয়। সকালে জিরা পানি পান করলে শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়তা করে এবং শরীরকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের জন্য উপকারী জিরায় থাকা উপকারী উপাদান ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে এটি ত্বকের যত্নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। শরীর থেকে ক্ষতিকর …
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২৯ অক্টোবর প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তাব করেছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক চীন সফর শেষে দেশে ফিরলে ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কর্মকর্তাদের মতে, প্রস্তাবিত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে। তবে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে আগামী ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ বছর ২ জুলাই সারা দেশে একযোগে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের পরীক্ষা শেষ করতে আরও সময় লাগে। এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় ১১টি বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। এ বছর পরীক্ষার জন্য মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৬৯৭টি এবং অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯ হাজার ৪৩৯টি।
টেস্ট ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁ-হাতি পেসার মিচেল স্টার্ক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে উইয়ান মুল্ডারকে আউট করে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ৪৫০তম উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। এই মাইলফলক স্পর্শ করার মধ্য দিয়ে টেস্ট ইতিহাসে প্রথম বাঁ-হাতি বোলার হিসেবে ৪৫০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন স্টার্ক। একই সঙ্গে বলের হিসাবে গ্লেন ম্যাকগ্রার রেকর্ডও ভেঙেছেন অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা পেসার।দক্ষিণ আফ্রিকার গকেবেরহায় সেন্ট জর্জেস পার্কে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্টার্ক। ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ম্যাথু ব্রিটজকেকে আউট করে উইকেটের খাতা খুলেছিলেন তিনি। পরে তৃতীয় দিনের সকালে মুল্ডারকে ফিরিয়ে পূর্ণ করেন ৪৫০ উইকেটের মাইলফলক। মুল্ডার ৩৮ বল খেলে ১৩ রান করেছিলেন। তার ক্যাচ নেন ম্যাট রেনশ।স্টার্কের এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যেই সীমাবদ্ধ নয়; টেস্ট ক্রিকেটে বাঁ-হাতি বোলারদের দীর্ঘদিনের রেকর্ডের তালিকাতেও নতুন অধ্যায় যোগ করেছে। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে ৪৫০ বা তার বেশি উইকেট নেওয়া বোলারদের বিশেষ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।টেস্ট ক্রিকেটে বাঁ-হাতি পেসার ও স্পিনারদের মধ্যে ৪৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করা প্রথম বোলার স্টার্ক। তার আগে এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেননি কোনো বাঁহাতি বোলার।বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার তালিকায় স্টার্কের পেছনে রয়েছেন শ্রীলঙ্কার স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ, পাকিস্তানের পেসার ওয়াসিম আকরাম এবং নিউজিল্যান্ডের স্পিনার ড্যানিয়েল ভেট্টোরি। তালিকায় রবীন্দ্র জাদেজার নামও উল্লেখ করা হয়েছে।বাঁ-হাতি বোলারদের টেস্ট উইকেটের তালিকামিচেল স্টার্ক: ১০৯ ম্যাচে ৪৫০* উইকেটরঙ্গনা হেরাথ: ৯৩ ম্যাচে ৪৩৩ উইকেটওয়াসিম আকরাম: ১০৪ ম্যাচে ৪১৪ উইকেটড্যানিয়েল ভেট্টোরি: ১১৩ ম্যাচে ৩৬২ উইকেটরবীন্দ্র জাদেজা: ৯১ ম্যাচে ৫৫৬ উইকেটস্টার্কের এই কীর্তি বাঁ-হাতি বোলারদের মধ্যে তার অবস্থানকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। দ্রুতগতির পেস, সুইং এবং ধারাবাহিক উইকেট নেওয়ার সামর্থ্যের জন্য পরিচিত এই অস্ট্রেলীয় বোলার এবার টেস্ট ইতিহাসেও …